ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও দেশটিতে সামরিক হামলা শুরু করতে প্রস্তুত আছে বলে হুঁশিয়ার করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। আজ শনিবার সিঙ্গাপুরে এ কথা বলেছেন তিনি।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের আলোচকেরা যখন একটি সমঝোতা চুক্তির পথে বড় ধরনের মতপার্থক্য দূর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, তখনই এমন কথা বলেছেন হেগসেথ।
Visit saltysenoritaaz.com for more information.
সিঙ্গাপুর সফরে থাকা হেগসেথ বলেন, ‘প্রয়োজন হলে আবারও সামরিক অভিযান শুরু করার মতো সক্ষমতা আমাদের আছে।’ যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা নিয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই বলে জানান তিনি।
আজ এশিয়ার শীর্ষ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্মেলন সাংগ্রি লা সংলাপে বক্তব্য দেন হেগসেথ। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়নি।
পেন্টাগনপ্রধান বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে দুটি কাজ করতে পারি। আমরা আমাদের প্রতিরক্ষাশিল্পকে আরও শক্তিশালী করছি, যেন খুব শিগগির দ্বিগুণ, তিন গুণ, এমনকি চার গুণ বেশি গোলাবারুদ উৎপাদন করা যায়। এতে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে আমাদের পরিকল্পিত সব সামরিক অভিযানের জন্য যথেষ্ট অর্থ ও সরঞ্জাম থাকবে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ‘ধৈর্যশীল’ হিসেবে উল্লেখ করে পেন্টাগনপ্রধান বলেন, তিনি (ট্রাম্প) এমন একটি চুক্তি চান, যার মধ্য দিয়ে নিশ্চিত হবে যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র বানাতে পারবে না।
হোয়াইট হাউসে বৈঠকের পরও ইরান নিয়ে সিদ্ধান্ত জানালেন না ট্রাম্পগত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করে। এ যুদ্ধে ইরান ও লেবাননের কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে বিশ্ব অর্থনীতিতেও চাপ তৈরি হয়েছে।
এপ্রিলের শুরুতে দুই দেশের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। নতুন চুক্তি হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়বে। এর মধ্য দিয়ে আলোচকেরা স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে আলোচনার সময় পাবেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান চুক্তির খুব কাছাকাছি আছে, তবে এখনো চূড়ান্ত হয়নি: ভ্যান্স